Skip to content
দেওয়ানী ও সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মামলার মনিটরিং সিষ্টেম বাংলাদেশের সকল ডি সি অফিস, ভূমি অফিস এবং বিজ্ঞ আদালত ব্যবহার যোগ্য। বাংলাদেশের জন্য সঠিক প্রযুক্তি নির্ভর SaaS (Software As A Service) তৈরি করার মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশের সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব।
Branch: master
Clone or download
Latest commit 0286e2e Jan 25, 2018
Permalink
Type Name Latest commit message Commit time
Failed to load latest commit information.
assets
commands first commit Aug 31, 2016
config first commit Jan 24, 2018
console/controllers
controllers first commit Jan 24, 2018
helpers first commit Aug 31, 2016
models first commit Aug 31, 2016
rbac first commit Aug 31, 2016
runtime first commit Aug 31, 2016
translations/bn first commit Jan 24, 2018
vendor first commit Aug 31, 2016
views first commit Jan 24, 2018
web
widgets
LICENSE.md first commit Jan 24, 2018
README.md Final Commit Jan 24, 2018
error_log first commit Jan 24, 2018
favicon.ico first commit Aug 31, 2016
php.ini first commit Jan 24, 2018
yii first commit Aug 31, 2016
yii.bat first commit Aug 31, 2016

README.md

দেওয়ানী ও সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মামলার মনিটরিং সিষ্টেম

দু হাজার একুশ সালে বাংলাদেশ পঞ্চাশ বছরে পা রাখবে। সুবর্ণ জয়ন্তীর এই লগ্নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বৈপ্লবিক ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশকে আমরা যে সঠিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসাবে যেমন দেখতে চাই "দেওয়ানী ও সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মামলার মনিটরিং সিষ্টেম" বস্তুত জেলা প্রশাসন কুমিল্লা নির্দেশিত ভিশন ২০২১-এর মূল উদ্বেগের প্রথম সোপান। জাতিসংঘ যেমন মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস (MDG) ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করা শুরু করে, বাংলাদেশও ঠিক তেমনি এই বৈশ্বিক উন্নয়ন-শোভাযাত্রায় সহযাত্রী হিসাবে অংশ নিতে ভিশন ২০২১-এর ব্যানার নিয়ে এগিয়ে আসে। অনেক রাজনৈতিক সংঘাত, হতাশা ও বিভ্রান্তি পেরিয়ে গণমানুষের প্রবল প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি হিসাবে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এলে—তরুণ প্রজন্মের কাছে ভিশন ২০২১-এর মহাপরিকল্পনা বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ভিশন ২০২১ সফল করা একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, তবে তা দুঃসাধ্য নয়। সঠিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার করে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব এবং বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির খাতিরে বার বার বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াতে সক্ষম হবে। ভিশন ২০২১-এর আরেকটি প্রধান উল্লেখযোগ্য দিক ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিডিজিটাল বাংলাদেশ হবে এমন এক ব্যবস্থা যেখানে সঠিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বৈপ্লবিক ব্যবহারের ফলে সুশাসন বলবত থাকবে, সঠিক সময়ে সঠিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার হবে, সরকারের কার্যক্রমে দায়বদ্ধতা এবং স্বচ্ছতা থাকবে, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি কমে যাবে, তথ্য প্রাপ্তির গতি তরান্বিত হবে, জনগণের তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন হবে, রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক থেকে রাষ্ট্র প্রধান পর্যন্ত একটি প্রযুক্তি নির্ভর সংযোগ স্থাপিত হবে, যার ফলশ্রুতিতে সর্বস্তরের জনগণের সাথে সরকার প্রদানের জবাবদিহিতা ও অঙ্গিকার সংরক্ষিত ও বাস্তবায়ন হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বাংলাদেশে ব্যাপক কম্পিউটার ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে, তথা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির দরকারি এবং কার্যকর প্রয়োগের আধুনিক কম্পিউটার দর্শনকে বোঝায়। বর্তমানে একটি সফল ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক চিন্তা এবং সৃজনশীল ভাবনার অনুকূল মানস গড়ে উঠেছে। তাছাড়া গণতন্ত্র, মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতানির্ভর ন্যায়বিচার এবং জনপ্রশাসন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের দিকনির্দেশন ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখায় নিহিত আছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনের বাস্তবায়নে চারটি মৌলিক বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে; মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনপ্রতিনিধিশীলতা, লোক প্রশাসন এবং বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার। সরকারের সেবাগুলোকে সঠিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুততা এবং জবাবদিহিতার সাথে জনগণের আরো কাছাকাছি নিয়ে আসা একশো ভাগ সম্ভব।

দেওয়ানী ও সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মামলার মনিটরিং সিষ্টেম বাংলাদেশের সকল ডি সি অফিস, ভূমি অফিস এবং বিজ্ঞ আদালত ব্যবহার যোগ্য।

ভিশন টুয়েন্টি টুয়েন্টি ওয়ান (Vision 2021) ১। প্রথম লক্ষ্য ২০২১ সাল নাগাদ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। ২। দ্বিতীয় লক্ষ্য ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে উন্নীত করা।

আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী পরবর্তীতে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি উচ্চ মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রার ঘোষণা দেন। Vision 2021- আর দশটা বাঙ্গালীর মতো আমারও স্বপ্ন। বাংলাদেশের জন্য সঠিক প্রযুক্তি নির্ভর SaaS (Software As A Service) তৈরি করার মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশের সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব।

দেওয়ানী মামলা সংক্রান্ত অনলাইন মনিটরিং টুলে যা থাকবে :

Process Flow

বিজ্ঞ আদালত → ডিসি অফিস → উপজেলা ভূমি অফিস উপজেলা ভূমি অফিস → ডিসি অফিস → বিজ্ঞ আদালত

অফিস সংখ্যা

বিজ্ঞ আদালত - ২৪ টি ডিসি অফিস - ১ টি উপজেলা ভূমি অফিস - ১৬ টি

ইউজার

বিজ্ঞ আদালত সংশ্লিষ্ট অফিস - ২৪ টি ডিসি অফিস - ৩ টি ( ADC (Rev.), AC (RM), Office Assistant) উপজেলা ভূমি অফিস - ১৬ টি

এডমিন ইউজার

ডিসি অফিস - ১ টি

ADC (Rev.), AC (RM), Office Assistant অনুযায়ী নির্দিষ্ট User ID পাসওয়ার্ড থাকতে হবে।

এডমিন হিসেবে লগইন করার জন্য আলাদা আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকতে হবে।

মোকদ্দমা সংক্রান্ত সকল নোটিফিকেশন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয় ও সহকারী কমিশনার, রাজস্ব মুন্সিখানা বরাবরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে Dash Board- এ দেখাতে হবে।

কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলার মোকদ্দমাসমূহ উপজেলাভিত্তিক আলাদা- আলাদাভাবে মনিটরিং টুলে সন্নিবেশিত থাকতে হবে।

মোকদ্দমাসমূহ উপজেলাভিত্তিক আলাদা-আলাদাভাবে মনিটরিং টুলে থাকলেও মোকদ্দমাসমূহ ক্রমানুসারে সন অনুযায়ী থাকতে হবে (যেমন : দেওয়ানী মোকদ্দমা নং- ০১/২০১৬, ০২/২০১৬, ০৩/২০১৬ ইত্যাদি)।

উপজেলা ভূমি অফিস/সংশ্লিষ্ট অফিস হতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৭/১৫ দিন) দফাওয়ারী প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মনিটরিং টুলে “ সবুজ রঙয়ের ” সংকেত থাকতে হবে।

উপজেলা ভূমি অফিস/সংশ্লিষ্ট অফিস হতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৭/১৫ দিন) দফাওয়ারী প্রতিবেদন পাওয়া না গেলে মনিটরিং টুলে “ লাল রঙয়ের ” সংকেত থাকতে হবে।

০৭ অথবা ১৫ দিনের উর্দ্ধে পেন্ডিং এস.এফ এর তালিকা/মামলার নম্বর উপজেলাভিত্তিক মনিটরিং টুলে দৃশ্যমান থাকতে হবে এবং নিষ্পত্তি হলে পেন্ডিং তালিকা থেকে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যেতে হবে। মোকদ্দমা সমূহের দফাওয়ারী প্রতিবেদন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তির নোটিফিকেশন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয় ও সহকারী কমিশনার, রাজস্ব মুন্সিখানা বরাবর সময়ে-সময়ে পৌছতে হবে।

বিজ্ঞ আদালত সমূহের নামের কলাম আলাদা-আলাদা থাকতে হবে। যেমন : (বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত/বিজ্ঞ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালত/বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত) ইত্যাদি।

বিজ্ঞ আদালত হতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মোকদ্দমার আরজি প্রাপ্তির তারিখ এর কলাম থাকতে হবে।

উপজেলা ভূমি অফিস/ সংশ্লিষ্ট অফিসে দফাওয়ারী প্রতিবেদনের জন্য আরজি প্রেরণ হতে প্রতিবেদন প্রাপ্তির জন্য সময় নির্ধারণ করে দিতে হবে।

বিজ্ঞ আদালত / বিজ্ঞ সরকারি কৌঁশুলীর নিকট মোকদ্দমার দফাওয়ারী প্রতিবেদন প্রেরিত হলে মনিটরিং টুলে “ সবুজ রঙয়ের ” সংকেত থাকতে হবে।

বিজ্ঞ আদালত / বিজ্ঞ সরকারি কৌঁশুলীর নিকট মোকদ্দমার দফাওয়ারী প্রতিবেদন প্রেরিত না হলে মনিটরিং টুলে “ লাল রঙয়ের ” সংকেত থাকতে হবে।

মোকদ্দমা সমূহের দফাওয়ারী প্রতিবেদন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিজ্ঞ আদালত / বিজ্ঞ সরকারি কৌঁশুলীর নিকট প্রেরিত/অপ্রেরিত সংক্রান্ত নোটিফিকেশন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয় ও সহকারী কমিশনার, রাজস্ব মুন্সিখানা বরাবর পৌছতে হবে।

http://adcrevenue.com/

You can’t perform that action at this time.